সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আধুনিক এভিয়েশন প্রযুক্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, মহাকাশ গবেষণা এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা এখন আর শুধু উন্নত বিশ্বের বিষয় নয়; বরং এগুলো একটি দেশের ভবিষ্যৎ সক্ষমতা ও বৈশ্বিক মর্যাদা নির্ধারণের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। দেশের বর্তমান অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এভিয়েশন ও অ্যারোস্পেস খাতে আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দেশের অন্যতম একটি অনুকরণীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
উচ্চশিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে গবেষণা ও শিল্প খাতের মধ্যে নিবিড় সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে উপাচার্য জানান, কার্যকর অংশীদারত্বই আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভিত্তি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গত ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ওই আয়োজনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণাধর্মী সংস্থার বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়ে এ খাতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিভিন্ন দিক নিয়ে রূপরেখা তুলে ধরেন, যার ধারাবাহিকতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে সভায় অবহিত করা হয়।
সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য বিগত ২০তম সভার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস্তবায়িত বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্য সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করেন। গুরুত্বপূর্ণ এই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিনির্ধারকদের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন