|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

মোবাইলে সহজে বাংলা লেখার উপায়

0 শেয়ার
মোবাইলে সহজে বাংলা লেখার উপায়
মোবাইলে সহজে বাংলা লেখার উপায়
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ফোনে বাংলা টাইপ করা কঠিন মনে হয়?
  • জিবোর্ড, আইফোন কিবোর্ড ও ভয়েস টাইপিং দিয়ে সহজে বাংলা লেখার উপায় জেনে নিন।
ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া, মেসেঞ্জারে কথা বলা বা অফিসের কাজে এখন মোবাইলেই বাংলা লিখতে হয়। কিন্তু অনেকের কাছে ফোনে বাংলা টাইপ করা ঝামেলার মনে হয়। আসলে সঠিক কিবোর্ড ও সেটিংস জানা থাকলে বাংলা লেখা ইংরেজির মতোই সহজ হয়ে যায়।

                                        
                                                                                    
গর্ভবতী স্ত্রীর পাশে স্বামীর ভূমিকা যেমন হওয়া উচিত
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গুগলের জিবোর্ড অ্যাপে বাংলা ভাষা যোগ করা যায়। জিবোর্ডের সেটিংসে গিয়ে ভাষা অংশে বাংলা যোগ করুন। সেখানে কয়েক ধরনের বাংলা লেআউট পাবেন। প্রভাত লেআউটে বাংলা অক্ষর সরাসরি কিবোর্ডে সাজানো থাকে। যারা কম্পিউটারে অভ্রতে অভ্যস্ত, তাদের জন্য ফোনেটিক লেআউট আছে, যেখানে ইংরেজি অক্ষরে লিখলেই বাংলা হয়ে যায়। যেমন, "ami" লিখলে "আমি" আসে। ভাষা যোগ করার পর স্পেসবারে চাপ দিয়ে ধরে রাখলে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে দ্রুত বদল করা যায়। কিবোর্ডের নিচে গ্লোব চিহ্নেও চাপ দিলে ভাষা বদলায়। একাধিক ভাষা যোগ থাকলে বারবার চাপ দিয়ে পছন্দের ভাষায় যাওয়া যায়। এই বদলানোর কৌশল একবার শিখে নিলে লেখার গতি অনেক বাড়ে।
বিজ্ঞাপন
Advertisement
আইফোনে সেটিংসের জেনারেল অংশে কিবোর্ডে গিয়ে নতুন কিবোর্ড হিসেবে বাংলা যোগ করুন। এরপর যেকোনো জায়গায় লেখার সময় গ্লোব চিহ্নে চাপ দিলেই বাংলা কিবোর্ড পাওয়া যাবে। আইফোনের বাংলা কিবোর্ডে যুক্তাক্ষর লেখাও বেশ সহজ। যুক্তাক্ষরের জন্য প্রথম অক্ষর লিখে হসন্ত দিয়ে পরের অক্ষর লিখুন। ভয়েস টাইপিং আরেকটি দারুণ সুবিধা। কিবোর্ডের মাইক চিহ্নে চাপ দিয়ে বাংলায় কথা বললেই তা লেখায় রূপ নেয়। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে বা হাত ব্যস্ত থাকলে এই ফিচার খুব কাজে লাগে। কথা স্পষ্ট করে বললে ভুলও কম হয়। ভয়েস টাইপিংয়ের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ থাকা ভালো, তাহলে নির্ভুলতা বাড়ে। লম্বা বার্তা লিখতে এটি দারুণ সময় বাঁচায়। জিবোর্ডে হাতের লেখা দিয়েও বাংলা লেখা যায়। কিবোর্ড সেটিংসে হাতের লেখা চালু করলে আঙুল দিয়ে অক্ষর এঁকে লেখা সম্ভব। বয়স্কদের জন্য এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক, যারা কিবোর্ডে অক্ষর খুঁজে পেতে সময় নেন। আঙুল দিয়ে বড় করে অক্ষর আঁকলে ফোন তা চিনে নেয়।
বিজ্ঞাপন
Advertisement
বাংলা লেখার সময় ভুল বানান নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। জিবোর্ডে স্বয়ংক্রিয় বানান পরামর্শ চালু থাকলে সঠিক শব্দ বেছে নেওয়া সহজ হয়। উপরে ভেসে ওঠা পরামর্শে চাপ দিলেই শব্দ বসে যায়। অটো কারেকশন চালু রাখলে ছোটখাটো ভুল নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়। তবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠানোর আগে একবার পড়ে নিন। প্রথম প্রথম গতি কম হলেও নিয়মিত চর্চায় দ্রুততা বাড়ে। প্রতিদিন কিছুক্ষণ বাংলায় লিখুন, ধীরে ধীরে আঙুল অভ্যস্ত হয়ে যাবে। বাংলা লেখার অভ্যাস গড়ে তুললে মাতৃভাষায় যোগাযোগ আরও প্রাণবন্ত হয়। বন্ধুদের সঙ্গে বাংলায় চ্যাট করলে চর্চাও হয়, আনন্দও পাওয়া যায়। কিবোর্ডের ব্যক্তিগত অভিধানে নিজের প্রায়ই লেখা শব্দ যোগ করে রাখা যায়। জিবোর্ডের সেটিংসে অভিধান অংশে গিয়ে শব্দ ও তার সংক্ষিপ্ত রূপ সংরক্ষণ করুন। পরে সংক্ষিপ্ত রূপ লিখলেই পুরো শব্দের পরামর্শ আসবে। ঠিকানা বা নিয়মিত বাক্য এভাবে সংরক্ষণ করলে বারবার লিখতে হয় না। তৃতীয় পক্ষের কিবোর্ড অ্যাপ নামানোর সময় সতর্ক থাকুন। কিবোর্ড অ্যাপ আপনার লেখা সবকিছু পড়তে পারে, তাই অচেনা নির্মাতার অ্যাপ এড়িয়ে চলুন। ফোনের নিজস্ব কিবোর্ড বা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ব্যবহার করাই নিরাপদ। অনেক অ্যাপে বাংলা ঠিকমতো দেখা না গেলে ফোনের সফটওয়্যার আপডেট করে নিন। নতুন সংস্করণে বাংলা ভাষার সমর্থন আরও ভালো। পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের ফোনে বাংলা কিবোর্ড সেট করে দিলে তারাও সহজে মাতৃভাষায় যোগাযোগ করতে পারবেন। আজই চেষ্টা করে দেখুন। মাতৃভাষায় লেখার আনন্দ একবার পেলে আর ইংরেজিতে ফিরে যেতে ইচ্ছে করবে না। বড় ফোনে এক হাতে লিখতে কষ্ট হলে জিবোর্ডের এক হাতে ব্যবহারের মোড চালু করুন। কিবোর্ড ছোট হয়ে একপাশে সরে আসে। ভাসমান কিবোর্ডও পর্দার যেকোনো জায়গায় সরিয়ে নেওয়া যায়। সেটিংসের লেআউট অংশে এই অপশনগুলো পাবেন। বাংলা লেখার মাঝে ইমোজি যোগ করতে কিবোর্ডের ইমোজি বোতামে চাপ দিন। বাংলা শব্দ লিখে ইমোজি খুঁজলেও পরামর্শ আসে। মনের ভাব প্রকাশে ইমোজি বেশ কাজে লাগে, বিশেষ করে বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাটে। তবে অফিসের বার্তায় পরিমিত ব্যবহারই ভালো। বাংলা ও ইংরেজি মিশিয়ে লিখতে হলে বারবার ভাষা বদলানোর দরকার নেই। জিবোর্ডে একাধিক ভাষা চালু থাকলে স্বয়ংক্রিয় পরামর্শ দুই ভাষাতেই আসে। এতে মিশ্র বাক্য লেখা দ্রুত হয়। যারা দুই ভাষায় নিয়মিত লেখেন, তাদের জন্য এটি বড় সুবিধা। যুক্তাক্ষর শিখতে চাইলে ধীরে ধীরে চর্চা করুন। প্রথমে সহজ যুক্তাক্ষর দিয়ে শুরু করুন, পরে কঠিনগুলো চেষ্টা করুন। ভুল হলে মুছে আবার লিখুন, কিবোর্ডের পরামর্শও সাহায্য করবে। নিয়মিত লিখতে লিখতে আঙুল নিজেই শিখে যাবে। কম্পিউটারে যারা অভ্র ব্যবহার করেন, তাদের জন্য ফোনেটিক লেআউট সবচেয়ে সহজ হবে। একই নিয়মে ইংরেজি হরফে লিখলেই বাংলা আসে। নতুনদের জন্য প্রভাত লেআউট ভালো, কারণ অক্ষরগুলো চোখের সামনেই থাকে। দুটোই চেষ্টা করে দেখুন, যেটা সুবিধা মনে হয় সেটাই রাখুন। বাংলা সংখ্যা লিখতে চাইলে কিবোর্ডের সংখ্যা অংশে ভাষা বদলে নিন। অনেক কিবোর্ডে বাংলা সংখ্যার আলাদা সারি আছে। তারিখ বা টাকার অঙ্ক বাংলায় লিখতে এটি কাজে লাগে। বাংলায় লেখা বার্তা পড়তেও এখন আর সমস্যা হয় না। প্রায় সব ফোনেই বাংলা ফন্ট আগে থেকে দেওয়া থাকে। মাতৃভাষায় লিখুন, মাতৃভাষায় পড়ুন।
Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।