|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

চিকিৎসায় নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী, আবিষ্কার মানবমস্তিষ্কের

0 শেয়ার
সুইডেনের স্টকহোমে ২০২৬ সালের নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীদের নাম ঘোষণার মুহূর্ত।
সুইডেনের স্টকহোমে ২০২৬ সালের নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীদের নাম ঘোষণার মুহূর্ত।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার জিতেছেন তিন বিজ্ঞানী।
  • তারা মানবমস্তিষ্কের জন্য চ্যানেলরোডপসিন প্রোটিন আবিষ্কার করেছেন।
  • এই গবেষণা স্নায়ুবিজ্ঞান ও রোগের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

স্টকহোম: মানবমস্তিষ্কের গঠন, স্মৃতি এবং অনুভূতির ওপর গভীর গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন তিন বিজ্ঞানী। সোমবার সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল কমিটি কার্ল দেইসেরাথ, পিটার হেগেমান এবং জর্জ ন্যাগেলকে এই সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেছে। স্নায়ুবিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় তাদের এই আবিষ্কার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এআই খাতে বিশ্ব নেতৃত্ব ধরে রাখতে সুপার ইন্টেলিজেন্স ফোর্স গঠন

নোবেল কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এই তিন বিজ্ঞানী যৌথভাবে 'চ্যানেলরোডপসিন' নামের একটি বিশেষ প্রোটিন আবিষ্কার করেছেন। বিজ্ঞানী পিটার হেগেমান এবং জর্জ ন্যাগেল এই প্রোটিনটি তৈরি করেন এবং কার্ল দেইসেরাথ এটিকে মানবমস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের জন্য একটি আলোক-নিয়ন্ত্রত সুইচে রূপান্তর করেন। তাদের এই যুগান্তকারী কাজের ফলে বিজ্ঞানীরা এখন বুঝতে পারছেন কীভাবে আলোকে কাজে লাগিয়ে স্নায়ুকোষের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

নোবেল কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের এই গবেষণা স্নায়ুবিক ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এটি স্নায়ুবিজ্ঞানকে এক নতুন যুগে নিয়ে যাওয়ার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

চিকিৎসা নোবেলের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

১৯০১ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রদানের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১১৬টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। নোবেলের ইতিহাসে চিকিৎসা বিভাগে সবচেয়ে কনিষ্ঠ বিজয়ী ছিলেন কানাডিয়ান বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক গ্রান্ট ব্যান্টিং, যিনি ইনসুলিন আবিষ্কারের জন্য ১৯২৩ সালে মাত্র ৩১ বছর বয়সে এই সম্মাননা অর্জন করেছিলেন। অন্যদিকে, বয়োজ্যেষ্ঠ বিজয়ী ছিলেন পেটন রাউস, যিনি ১৯৬৬ সালে ৮৭ বছর বয়সে টিউমার সৃষ্টিকারী ভাইরাস সংক্রান্ত আবিষ্কারের জন্য নোবেল লাভ করেন।

বর্তমান এই গবেষণার মাধ্যমে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের রূপকার বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ তালিকায় নতুন তিন গবেষক যুক্ত হলেন। রোগ সম্পর্কে ধারণা, রোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনতে এই ধরনের মৌলিক গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে এই ঘোষণা বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কার কেবল গবেষণাগারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ চিকিৎসা পদ্ধতিতে বিপ্লব ঘটানোর ক্ষমতা রাখে। স্নায়ুবিক বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় এই আলোক-নিয়ন্ত্রত সুইচ পদ্ধতি বড় ধরনের সাফল্য বয়ে আনবে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বজুড়ে চিকিৎসা গবেষকরা এই অর্জনকে মানবকল্যাণে বিজ্ঞানের এক অনন্য জয় হিসেবে দেখছেন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।