সংক্ষেপে মূল তথ্য
- এখন থেকে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে এই ছুটি কার্যকর হবে।
এখন থেকে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সারা দেশে সাধারণ ছুটি পালন করা হবে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এই ছুটি ঘোষণা করে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বুধবার (২১ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব ওয়ালীউল দামান। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতি বছর ৭ নভেম্বর দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ দিনটিতে সরকারি ও বেসরকারি অফিসসহ সব প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
এই সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল চলতি মাসের শুরুতেই। গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে 'ক' শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই বৈঠকেই দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রিসভার সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে সাধারণ ছুটির বিষয়টি চূড়ান্ত করল।
৭ নভেম্বর বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে দিনটি পালিত হয়ে আসছে। তবে এতদিন দিনটিতে সরকারি ছুটি ছিল না। নতুন প্রজ্ঞাপনের ফলে দিনটি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের সাধারণ ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো, ফলে প্রতি বছর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিবসটি পালনের পাশাপাশি দেশজুড়ে ছুটিও থাকবে।
সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী থেকে শুরু করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বছরের ছুটির ক্যালেন্ডারে নতুন একটি দিন যুক্ত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে তাদের বার্ষিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সাজাতে এই তারিখটি বিবেচনায় রাখতে হবে। প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে ছুটির বিষয়টি এখন পুরোপুরি চূড়ান্ত হলো।