|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

দুর্গাপুজোর পাস বিক্রিতে অনিয়ম: গ্রেপ্তার ইন্দ্রনীল সেন

0 শেয়ার
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও সংগীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন।
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও সংগীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রি করে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • ইডি দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা হেফাজতে নেয়।
  • প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের তথ্য খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

কলকাতা: দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ও সংগীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। বুধবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (ইডি) দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে পুলিশের একটি দল হেফাজতে নেয়। চন্দননগরের সাবেক এই তৃণমূল বিধায়ককে কলকাতার লালবাজারস্থ সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: ৬৯ নিহত, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হতে পারে বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা। এ ঘটনায় পূর্বে কলকাতা পুলিশের বৌবাজার থানায় একটি আনুষ্ঠানিক মামলা বা এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, যার ভিত্তিতে পরবর্তীতে আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মাঠে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

এর আগে এই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক এই মন্ত্রীকে একাধিকবার মুখোমুখি হতে হয়েছে পুলিশি জেরার। এমনকি তার কসবার বাসভবন এবং সিঙ্গুরের বাগানবাড়িতেও কেন্দ্রীয় সংস্থার পক্ষ থেকে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে তদন্তে সার্বিক সহযোগিতা না করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আর্থিক অনিয়ম ও আইনি প্রক্রিয়া

তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, ভুয়া প্রবেশপাস তৈরি করে দুর্গাপুজোর নামে বড় অংকের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। সংগৃহীত সেই অর্থের সঙ্গে সাবেক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং দেওয়া হয়নি।

সংবাদ লেখা পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে সাবেক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের পক্ষের কোনো আইনি মন্তব্য বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আইনি বিধান অনুযায়ী, উপযুক্ত আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন। এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে আদালতের অনুমতির প্রক্রিয়া চলছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।