|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

বঙ্গোপসাগরে নজরদারিতে ৬০০ কোটির স্যাটেলাইট প্রকল্প আনছে সরকার

0 শেয়ার
বঙ্গোপসাগরে নজরদারির জন্য স্যাটেলাইট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করছে বিএসসিএল।
বঙ্গোপসাগরে নজরদারির জন্য স্যাটেলাইট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করছে বিএসসিএল।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার নৌযানের অবস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্যাটেলাইটভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা গড়ছে সরকার।
  • চার্লটি কম উচ্চতার স্যাটেলাইটের এই প্রকল্পে ব্যয় হবে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা।
  • চলতি বছরের মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্প চালুর লক্ষ্য বিএসসিএলের।

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার নৌযানের অবস্থান শনাক্তকরণ, সমুদ্রে চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহে আধুনিক স্যাটেলাইটভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থার (এআইএস) উন্নত সংস্করণ ব্যবহারের মাধ্যমে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। কম উচ্চতার চারটি স্যাটেলাইটের সাহায্যে পরিচালিত এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা।

দুর্যোগের ক্ষয়-ক্ষতি কমাতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

২০১২ ও ২০১৪ সালে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির পর ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকার অধিকার পায় বাংলাদেশ। এই বিশাল জলসীমায় মৎস্য আহরণ, নৌযান চলাচল এবং সামুদ্রিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। বিএসসিএলের প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় চারটি স্যাটেলাইট, দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন এবং স্থানীয় সার্ভার অবকাঠামো যুক্ত থাকবে, যার মাধ্যমে পুরো বঙ্গোপসাগরীয় এলাকায় সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের রিভিজিট টাইম লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তরের পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সমুদ্রে মাছ ধরার নৌযান পর্যবেক্ষণে স্যাটেলাইটভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা অত্যন্ত প্রয়োজন। এর মাধ্যমে নৌযানের অবস্থান শনাক্ত করা এবং মাছ ধরার নির্ধারিত নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।

প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

বিএসসিএল সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে এবং আগামী অক্টোবরের মধ্যে তা শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হবে। চলতি বছরের মধ্যে সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা গেলে ২০২৮ সালের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে সামুদ্রিক তথ্যের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং বিদেশি তৃতীয় পক্ষের ওপর নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নৌযানের গতি ও দিকনির্দেশনা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হলেও যেসব নৌযানে এআইএস যন্ত্র থাকবে না, সেগুলোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রযুক্তির প্রয়োজন হতে পারে। ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমার কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান এআইএসের পাশাপাশি সিনথেটিক অ্যাপারচার রাডার (এসএআর) ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যদিকে, বিএসসিএল বলছে যে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সঠিক যাত্রাপথ পরিকল্পনা করা গেলে বছরে প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ লিটার ডিজেল সাশ্রয় করা সম্ভব হবে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৫৯ কোটি টাকা।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।