বিশ্বকাপে শক্তিশালী গ্রুপে পড়ার চ্যালেঞ্জ সামলে নারী ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বড়সড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তিদের গ্রুপে পড়েও নিপুণ লড়াই চালিয়েছে জ্যোতিরা। বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নেওয়ার পাশাপাশি ভারতের বিপক্ষেও দুর্দান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল বাংলাদেশ দল। এবার বিশ্বমঞ্চে বাঘিনীদের এই অবস্থানকে আরও মজবুত করতে বিসিবির উইমেন উইং তিনটি বড় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বিসিবির সবশেষ নির্বাচনে ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে জয়ী হয়ে আসা রফিকুল ইসলাম বাবু বোর্ড সভা শেষে নারী বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। তবে তিনি দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার পরপরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছেড়েছিল নারী দল। যে কারণে ক্রিকেটার বা টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলাদাভাবে বসার সুযোগ পাননি তিনি।
সম্প্রতি বিশ্বকাপ মিশন সফলভাবে শেষ করে দেশে ফিরেছেন জ্যোতি-নাহিদারা। নারী দল ও কোচিং স্টাফরা দেশে ফেরার পর গতকাল প্রথমবারের মতো তাঁদের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেন উইমেন উইংয়ের প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবু। সেই বৈঠকেই টাইগ্রেসদের পাইপলাইন শক্তিশালী করতে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত সাফল্য ধরে রাখতে তিনটি বিশেষ উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়।
বিসিবি নারী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই তিন উদ্যোগের মধ্যে প্রধান লক্ষ্য হলো জাতীয় দলের পেস বোলিংয়ের ঘাটতি দূর করা। পেসারদের এই সংকট মেটাতে একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন ও প্রতিভাবান পেসার তুলে আনার জন্য একটি বিশেষ হান্ট বা উদ্যোগ শুরু করতে যাচ্ছে বিসিবি। এর পাশাপাশি নারী স্কুল ক্রিকেটের পরিধি আরও বাড়ানো এবং কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের নারী ক্রিকেটকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন